মোহাম্মদ আল আমিন–কে ঘিরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল–এর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। আসন্ন কমিটিতে তিনি শীর্ষ পদপ্রত্যাশী হিসেবে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে ছাত্ররাজনীতি ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকা আল আমিন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ছিলেন ছাত্রদল ঢাকা মহানগর পূর্ব–এর সাবেক সদস্য সচিব।
রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই মাঠপর্যায়ের রাজনীতিতে সক্রিয় আল আমিন শাহজাহানপুর থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ছিলেন। পাশাপাশি তিনি মতিঝিল থানা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়া তিনি মতিঝিল থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, ১২ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের আহ্বায়ক এবং ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
রাজনৈতিক বৈরি সময়ে ২৯ টি মামলার আসামী হয়েছে একাধিকবার কারাবরণ করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর রিমান্ডে নির্যাতনের শিকার হয়েও শহীদ জিয়ার আদর্শ বুকে লালন করেছেন। জেল-জুলুম-হুলিয়া উপেক্ষা করে ‘তারেক রহমান আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ এই শ্লোগােনই মনে-প্রাণে্আস্থা রেখেছেন আল আমিন। অবশেষে তার বিশ্বাসেরই জয় হয়েছে। তারুণ্যের অহঙ্কার তারেক রহমান আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এবার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শ্লোগান নিয়ে শুরু হলো নতুন যাত্রা। এ নবযাত্রায়ও পিছিয়ে নেই আল আমিন। বৈরি সময়ের সহযাত্রীদের নিয়ে এবার যুবদলকে সুসংগঠিত করার স্বপ্ন দেখছেন। বর্তমানে কোন পদপদবী ছাড়াই ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলকে সংগঠিত করার কাজে মনোনিবেশ করেছেন। ইতোমধ্যে তাঁকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ পরিলক্ষিত হচ্ছে।
দলীয় সূত্র বলছে, তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে তার নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে।
মন্তব্য করুন