কিছদিন যাবত এমটিএফই অনলাইনে অল্প পুঁজিতে অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে মানুষকে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে থাকে। এককালীন মাত্র ৬৫ হাজার টাকা বিনিয়োগ করলে প্রতি মাসে ২৪ হাজার টাকা দেবে কোম্পানী। এমন সব লোভনীয় অফার দেয় কোম্পানিটি। যার ফাঁদে পড়েন দেশের যুবকরা।

যুবক, ডেসটিনির পর এবার অনলাইভিত্তিক মাধ্যম এমটিএফই’র ফাঁদে পা দিয়ে লাখ লাখ টাকা খোয়ানোর পথে দেশের হাজারো মানুষ। রাতারাতি ধনী হওয়ার লোভ দেখিয়ে বিশাল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মেটাভার্স ফরেন এক্সচেঞ্জ (এমটিএফই)। এ ঘটনায় রীতিমতো তোলপাড় চলছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক ইউনিট এ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

শুধু বাংলাদেশে নয়, পশ্চিমবঙ্গেও প্রতারিত হয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। প্রতারিতদের মধ্যে বেশিরভাগই তরুণ এবং বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

সূত্র জানায়, এমটিএফই এর ওয়েবসাইটে কোনো প্রকার স্যোশাল মিডিয়ার লিংক নেই। নেই প্রতিষ্ঠান মালিক বা কর্মকর্তাদের কোনো নাম ঠিকানা। নেই সরকারি অনুমোদনও।

কিছদিন যাবত এমটিএফই অনলাইনে অল্প পুঁজিতে অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে মানুষকে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে থাকে। এককালীন মাত্র ৬৫ হাজার টাকা বিনিয়োগ করলে প্রতি মাসে ২৪ হাজার টাকা দেবে কোম্পানী। তাছাড়া যত মানুষকে রেফারের মাধ্যমে বিনিয়োগ করা হবে এর উপরও মোটা অঙ্কের কমিশন পাওয়া যাবে। এমন সব লোভনীয় অফার দেয় কোম্পানিটি।

লাভের পরিমাণ বেশি, এই আশায় লাখ লাখ মানুষও এতে বিনিয়োগ করেন। কিছু লাভও অনেকে পান। তবে চূড়ান্ত বিচারে বিনিয়োগের সব অর্থই খোয়াতে হয়েছে। ফাঁদে ফেলে সম্প্রতি বিশাল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে সব কার্যক্রম গুটিয়ে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এডিসি) সাইফুর রহমান আজাদ বলেন, এমটিএফই নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট কাজ করছে। এ নিয়ে ইতোমধ্যে তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে যারাই দোষী হবেন তাদের আইনের আওতা আনা হবে।