গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাখালবুরুজ ইউনিয়নের তপসিয়া খাল -২য় খন্ড খননে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কাজে ফাঁকি অতিরিক্ত বরাদ্দ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে নিজেরাই কাজ করছে।
কাজের সাইনবোর্ড নেই। রেকর্ডীয় জমি এক শতক পানির দামে ৬০০০ টাকা দিয়ে মৌখিক ক্রয়ের মাধ্যমে খাল খনন কাজ করছে। সিঙ্গিজানি পূর্ব পাড়া অর্থাৎ প্রকল্পের দক্ষিণ অংশে ৫০০ মিটার ব্যক্তি মালিকানায় কৃষি আবাদি জমিতে কিভাবে প্রকল্প গ্রহণ এবং জমির টাকার উৎস কোথায় জনগণ জানতে চায়। রেকর্ডিয় মালিকানা জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টি সরজমিনে প্রত্যক্ষ করা গেছে।
এদিকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কার্যালয় এলজিডি রংপুর বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারি প্রকৌশলী কেএম রবিউল ইসলাম এবং আইপিসিপি প্রকল্পে উপসহকারী প্রকৌশলী গোবিন্দগঞ্জ এর ফয়সাল এর নেতৃত্বে জমির মালিক কে এক শতকের বিনিময়ে ৬০০০ (ছয় হাজার) করে টাকা দেওয়া হচ্ছে। জমির মালিক মনজুরুল ইসলাম এই প্রতিনিধিকে জানান তাদের জমিন জবরদখল করে নেওয়ার ফলে তারা বাধা দেয়। কিন্তু প্রভাবশালী মহল তাদেরকে বাধ্য করছে।
কে এম রবিউল ইসলাম এই প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন তপসিয়া খাল দ্বিতীয় অংশে (পুনতাইড় )খালের সিংজানি পূর্ব পাড়া ব্রীজের দক্ষিণ এবং উত্তর পাশে প্রায় ৫০০ মিটার ব্যক্তি মালিকানায় কৃষি আবাদি জমির বাবদ ৯ লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি পুরণ দেওয়া হচ্ছে।
এই টাকার উৎস কোথায়? জানতে চাইলে সহকারী প্রকৌশলী কে এম রবিউল ইসলাম এই প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এসএএসআই এর পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে! টাকা বিতরণের সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার সাইদুর রহমান এবং এলজিইডি উপসহকারী প্রকৌশলী আইপিসিপি প্রকল্পের মোঃ ফয়সাল চৌধুরী এবং সহকারী প্রকৌশলী কে এম রবিউল ইসলাম কর্তৃক ভুক্তভোগী জমির মালিকদের কে দেওয়া হয়।
তপসিয়া খালের চেইন এক পয়েন্ট তিন ১.৩ কিলো থেকে ১.৯ কিলো অর্থাৎ চেইন ১৯০০ পর্যন্ত ব্যক্তি মালিকানা রেকর্ডিয় কৃষি আবাদি জমি। যাহা খনন করা হয়নি। যাহা তপসিয়া খালের প্রথম খন্ড এবং দ্বিতীয় খন্ড খনন এর তল থেকে প্রায় আট ফুট উঁচু।
তাহলে দ্বিতীয় খন্ড এবং প্রথম খন্ড আলাদা আলাদা ভাবে রয়েছে।
মন্তব্য করুন