দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) পাটকলগুলো পর্যায়ক্রমে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালুর উদ্যোগ এগিয়ে চলছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

ইতোমধ্যে লিজ দেওয়া ১৪টি পাটকলের মধ্যে ৯টি উৎপাদনে ফিরেছে। এসব মিলে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। এ ছাড়া আরও কয়েকটি মিল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় লিজ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সম্প্রতি সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলস ও খুলনার স্টার জুট মিলস প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ এবং খুলনার প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলস হ্যামকো গ্রুপের কাছে লিজ দেওয়া হয়েছে। তিনটি মিল পুনরায় চালু করতে প্রায় ৬১৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ হবে এবং কমপক্ষে ১১ হাজার ৬২৯ জনের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। এসব মিল থেকে বছরে প্রায় ১ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা আয় হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিজেএমসির কর্মকর্তারা জানান, সংস্থাটির অধীনে থাকা ২৫টি পাটকলের মধ্যে ২০টি বেসরকারি খাতে লিজ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট মিলগুলোর কয়েকটি নিয়ে মামলা ও হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং অব্যবহৃত রাষ্ট্রীয় সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যবহার ও রপ্তানি বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।