ইরানে ফের সামরিক হামলার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী ও প্রায় ৯ থেকে ১০ হাজার অতিরিক্ত মার্কিন সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন।
নভেম্বরের শেষ নাগাদ ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট ও এর স্ট্রাইক গ্রুপ মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে পারে। বর্তমানে সেখানে ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ও ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন রয়েছে। নতুন মোতায়েন সম্পন্ন হলে অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতি আরও বাড়বে।
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সময় কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরানের দেওয়া সর্বশেষ যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করেছেন। একই সময়ে তিনি নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে ফের হামলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি।
এদিকে ৩০ সেপ্টেম্বর ইসরাইলগামী একটি ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে কো-পাইলটের হাতে ক্যাপ্টেন আহত হওয়ার ঘটনায় ইরানের সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে এখন পর্যন্ত ইরানের সরাসরি সংশ্লিষ্টতার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও ওমানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে।
ট্রাম্প বলেছেন, ঘটনায় ইরানের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামলার ঘটনায় ইরানের দায় নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
মন্তব্য করুন