ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের গাইবান্ধা গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কের ডিভাইডার ও রাস্তার পাশের পতিত জায়গায় সবজি চাষ করেছেন স্বল্প আয়ের বেশ কয়েকটি পরিবার। লাল শাক, পুঁইশাক, মূলা, ধনিয়া, রসুন, মিষ্টি কুমড়া ও আলুসহ স্বল্প মেয়াদী নানা ধরণের শীতকালিন সবজি চাষ করেছেন তারা। কীটনাশকমুক্ত ভাবে উৎপাদিত এসব সবজি তাদের পারিবারিক চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি উদ্বৃত্ত সবজি বাজারে বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন চাষীরা।

ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ডিভাইডারের মাঝে ও রাস্তার পাশের পড়ে থাকা পতিত জায়গায় সবজি চাষ করছেন এ জেলার স্বল্প আয়ের পরিবার গুলো। গোবিন্দগঞ্জ থেকে পলাশবাড়ী আংশের প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার এলাকায় লাল শাক, পুঁইশাক, মূলা, ধনিয়া, রসুন, মিষ্টি কুমড়া ও আলুসহ নানা ধরণের স্বল্প মেয়াদী শীতকালিন সবজি লাগিয়েছেন তারা। কীটনাশকমুক্ত ভাবে উৎপাদিত সবজি এসব পরিবারের পারিবারিক চাহিদা পূরনের বড় ভূমিকা রাখছে- সেই সাথে উৎপাদিত এসব শাক সবজি পাড়া- প্রতিবেশিদেরকেও খাওয়ার জন্য দিচ্ছেন তারা।

আবু সফিয়ান জানান বাড়ির সামনে মহাসড়কের পতিত জায়গায় সবজি চাষ কবতে পারায় স্থানীয় লোকজন বেজায় খুশি। সার ও কীটনাশক তেমন ব্যবহার করতে হয়না বলে এসব সবজি চাষে ব্যয় অত্যন্ত কম- আর অবসর সময়ে তারা নিজেরাই সবজির জমি পরিচর্যা করে থাকেন বলে জানান তারা। সড়কের পতিত জমিতে উৎপাদিত এসব সবজি তাদের পারিবারিক চাহিদা পূরণে বড় ভূমিকা রাখছে। এ ছাড়াও এসব শাক-সবজি প্রতিবেশিদের মাঝে বিকরণের পাশাপাশি উদ্বৃত্ত সবজি বাজারে বিক্রি বরে আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন চাষীরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মেহেদী হাসান আমার দেশকে বলেন, মহাসড়কের পতিত জায়গায় সবজি চাষ একটি ভালো উদ্যোগ। উৎপাদিত এসব সবজি তাদের পারিবারিক চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে- পাশাপাশি উদ্বৃত্ত সবজি বাজারে বিক্রি বরে আর্থিক ভাবে লাভবান হবেন তারা। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারসহ সবজি চাষে পরামর্শ সহয়তা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মহাসড়কসহ বিভিন্ন পতিত জায়গায় এ ধরনের সবজি চাষ বৃদ্ধি করা গেলে তাতে পারিবারিক চাহিদা পূরণে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।