‘নাইট কুইন’ নাম শুনে সহজেই অনুমান করা যায় যে, রাতের আধাঁর আলো করে ফুটে ফুলটি। আর এজন্যই একে বলা হয় ‘রাতের রানী’। এছাড়া নাইট কুইনকে বলা হয় সৌভাগ্যের প্রতীক। মনে করা হয়, যে বাড়িতে ফুলটি ফুটে সে বাড়িতে সৌভাগ্য বয়ে আনে। নাইট কুইন ফুলটি নিশিপদ্ম, নিশিগন্ধা বা ব্রহ্মকমল নামেও পরিচিত। অনেক দেশে ফুলটি ‘বেথেলহ্যাম ফ্লাওয়ার’ নামেও সমাদৃত। ফুলটি সৌভাগ্য ও পবিত্রতার প্রতীক।

নাইট কুইন গাছের বৈজ্ঞানিক নাম ঊঢ়রঢ়যুষষঁস ঙীুঢ়বঃধষঁস । ইংরেজীতে উঁঃপযসধহং চরঢ়ব ও ছঁববহ ঙভ ঞযব ঘরমযঃ হিসেবে পরিচিত। ক্যাকটাস জাতীয় এ উদ্ভিদের আদি নিবাস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিনাঞ্চল ও মেক্সিকোতে। এই ফুলটি বর্তমানকালে অতি দুর্লভ না হলেও কিছুটা দুর্লভও বটে। অনেক ধৈর্য, পরিশ্রম এবং অপেক্ষার পরই নাইট কুইন ফুল ফোটা দেখার সৌভাগ্য হয়। তাও আবার বেশি সময়ের জন্য নয়। যে রাতে ফুলটি ফোটে সে রাতেই ভোর হতে না হতেই ফুলটি মিলিয়ে যায়।

শুক্রবার রাতে ইস্পাহানি টি কোম্পানির শ্রীমঙ্গলে অবস্হিত জেরিন টি এস্টেটের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সেলিম রেজার বাসভবনে ( বাংলো) টবের মধ্যে দু’টি গাছে রাত ৮টার পর থেকে নাইট কুইন ফুল ফুটতে শুরু করে। জেরিন চা বাগানের ডিজিএম সেলিম রেজা এ প্রতিবেদককে জানান, রাত ১০ টার দিকে ১১ টি নাইট কুইন ফুল ভালভাবে প্রস্ফুটিত হয়। ফুলগুলো ফোটার পর এর আশপাশ সুমিষ্ট গন্ধে ভরে যায়।

নাইট কুইন ফুল দেখার জন্য সবচেয়ে ভাল সময় রাত বারোটা থেকে দুইটা। ভোররাত পর্যন্ত ফুলগুলি প্রস্ফুটিত থাকে। কিন্তুু সকাল হলেই আর ফুলকে দেখা যায় না। একেবারে কুঁকড়ে যায়। আর এজন্যই একে ‘এক রাতের রানী’ও বলা হয়ে থাকে।