রাজশাহীর তানোর উপজেলায় নীতিমালা বহির্ভূতভাবে সার ডিলার নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। অনিয়ম ও নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে তা বাতিলের দাবি জানিয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি কাজী শহিদুল ইসলাম বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) মেসার্স শামীমা ট্রেডার্স’-এর স্বত্বাধিকারী মোঃ আমিনুল ইসলাম এ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, তানোর উপজেলার ১নং কলমা ইউনিয়নের বিল্লী বাজারে দীর্ঘদিন ধরে সার ও বীজের ব্যবসা পরিচালনা করছেন হেডবিল্লী গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আমিনুল ইসলাম। সার ডিলার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তিনি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে ১০৬ নম্বর আবেদনের মাধ্যমে ডিলারশিপের জন্য আবেদন করেন।
অভিযোগে বলা হয়, ‘তান্স এন্টারপ্রাইজ’-এর স্বত্বাধিকারী প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ না করা সত্ত্বেও তাকে সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্ত ডিলারের নিজস্ব বা ভাড়াকৃত গুদামঘর রয়েছে কিনা, সার ব্যবসা পরিচালনায় পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে কিনা—তা যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়নি বলে আবেদনে দাবি করা হয়।
এছাড়া আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, কলমা বাজারে ইতিমধ্যে ‘শাহ এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান সার ডিলার হিসেবে নিয়োজিত থাকা সত্ত্বেও একই বাজারে নতুন করে ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
অভিযোগকারী মোঃ আমিনুল ইসলাম জানান, ডিলারশিপের জন্য তার ভাড়াকৃত গুদামঘরসহ অন্যান্য আবশ্যকীয় শর্তাবলী ও দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও তার আবেদনটি যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম, অসঙ্গতি বা নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটেছে কিনা তা নিরপেক্ষভাবে তদন্তের জোর দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক নীতিমালা বহির্ভূতভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত সার ডিলারের নিয়োগ বাতিল ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
অভিযোগকারীর ছেলে ও তানোর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম বলেন, আমার বাবা একজন প্রকৃত ব্যবসায়ী হয়েও ডিলারসিপ পাননি। দেওয়া হয়েছে তিনি ব্যবসায়ী নন। এজন্য আমরা তদন্ত-পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
মন্তব্য করুন