পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে কোনো অপশক্তি ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করলে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। ষড়যন্ত্রে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

একই সঙ্গে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মাধ্যমে বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা মহাপরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে তিস্তা ব্যারেজ এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, তিস্তাকে নিয়ে দেশে-বিদেশে নানা ধরনের আলোচনা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সরকারের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে কেউ তিস্তাকে ঘিরে সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনার সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) প্রতিবেদন তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট নথিতে সম্মতি দিয়ে স্বাক্ষর করেছেন। অর্থমন্ত্রী দেশে ফেরার পর আগামী সপ্তাহে স্বাক্ষর করলে পরবর্তী প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন চূড়ান্ত হওয়ার পর উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরিতে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হবে। এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৯ থেকে ১০ মাস সময় লাগতে পারে। এরপর শুরু হবে দরপত্র প্রক্রিয়া।

সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে।

পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।