বরিশালে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে নগরীর পাঁচ নং ওয়ার্ডে একটি জমিতে ‘জোরপূর্বক’ ভাঙচুর ও দখল চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় কাউনিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী জমির মালিক। নগরীর পাঁচ নং ওয়ার্ডে আজ সকাল ৯ টা ৩০ মিনিটে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বরিশাল আমানাতগঞ্জ মৌজার এসএ ২১৭৬ নং দাগ ৯০৭, ১৪৭৪, ৮৭৬ দাগ ১৪৫০ শতাংশ জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে।
নিম্ন তফসিলভুক্ত সম্পত্তির পরিচয় :- সম্প্রতি কেনা সূত্রে ওই সম্পত্তির দাবিদার হালিমা খাতুন ওরফে শাহজাদি বেগম বরিশাল বিভাগীয় স্পেশাল জজ ও স্পেশাল জেলা জজ দেওয়ানি আপিল নং (১৮/২০১৬) মামলা দায়ের করেন। মামলা প্রক্রিয়াধীন আদালত ওই সম্পত্তিতে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেন ও পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত যার যার অবস্থানে থাকতে বলেন, অথচ আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে শাহজাহান খান ও বরিশাল মহানগর বিএনপির শ্রমিক দলের সদস্য মান্নান, মিরাজ খান, ইমাম খাম, নয়ন, হাসান,বাবু নাইম, হারুন, সেকনি আবুল, মিরাজের বউ কলি, ইমামের বউ দিবা, খালেদা সহ ১৫, ২০ জন সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা ও ঘর ভাঙচুর করেন এ ঘটনায় কাউনিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী জমির মালিক।
জানা যায় শনিবার (২৭ মে) সকাল ৯ টা ৩০ মিনিটের দিকে ওই বাড়ির ভাড়াটিয়ারা বিল্ডিং ভাঙ্গা শব্দ পায় এরপরে মালিকের ছোট মেয়ে ঘটনা স্থলে গেলে তার সাথে খারাপ ব্যবহার করেন এবং তাকে জোর করে ঘর থেকে বের দেন ও শাজাহান খানের বড় ছেলে-ছোট ছেলে ও ছেলে বউরা ও এই ঘটনার পর পরই ভুক্তভোগী ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ এসে পরিবেশ শান্ত করেন এবং উভয়পক্ষকেই জমির কাগজ ও মামলার কাগজ নিয়ে বসার পরামর্শ দেন সময় সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন ।
সাংবাদিকরা ঘটনা স্থানের ছবি তুলতে গেলে শাজাহান খান সাজু তাদের বাধাগ্রস্ত করেন এবং বলেন সাংবাদিকদের কোন কাজ নাই আপনারা যা মন চায় করেন বাড়ির ভিতর ঢুকতে পারবেন না। বাড়ি দখল করার ব্যাপারে ব্যাপারে শাহজাহান খান এর কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন আমি আদালতের রায় পেয়েছি তাই বাড়ি দখল দিছি, অথচ আদালতে মামলা চলমান তিনি বাড়ি দখল দেওয়ার ব্যাপারে আদালতের লিখিত রায় পেয়েছেন এমন কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেননি ।
এ ব্যাপারে কাউনিয়া থানার এসআই হান্নান বলেন, আমি ঘটনের স্থলে গিয়েছিলাম ঘর ভাঙচুরের ও জমি দখলের প্রমাণ দু পক্ষকে থানায় ডাকা হয়েছে দু পক্ষ সমঝোতা গেলে সমাধান করা হবে নয়তো আদালতের মাধ্যমে সমাধান করা হবে।
মন্তব্য করুন