
কলাপাড়ায় মুজিব শতবর্ষে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পে দুস্থদের জন্য ঘরসহ ২ শতাংশ খাস জমি বন্দোবস্তের আড়ালে ৪২ প্রভাবশালী বিত্তবানের নামে ২৫ কোটি টাকা মূল্যের ৭২ একর খাস জমি বন্দোবস্ত কান্ডের মামলায় অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করেছে দুদক।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদক, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, পটুয়াখালীর উপ-পরিচালক মামুনুর রশিদ চৌধুরী ও উপ-সহকারী পরিচালক আবদুল লতিফ হাওলাদার ইতোমধ্যে অভিযুক্ত কলাপাড়ার সাবেক ইউএনও আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদুল হক, ভূমি অফিস সার্ভেয়ার মো. হুমায়ুন কবির, সাবরেজিষ্ট্রার রেহেনা পারভিনসহ সাবরেজিষ্ট্রী অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করেছে।
৩রা, ৪ঠা মার্চ ৪২ প্রভাবশালী খাস জমি দলিল গ্রহীতাদের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করবে দুদক। এরপর অভিযুক্তদের প্রকাশ্য আদালতে বিচারের জন্য শীঘ্রই আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করবে দুদক।
তথ্য সূত্রে জানা যায়, কলাপাড়ার আলোচিত ৭২ একর খাস জমি বন্দোবস্ত কান্ডে ইউএনও আবু হাসনাত, সাব-রেজিষ্ট্রার রেহেনা পারভিন, সার্ভেয়ার মো. হুমায়ুন কবির তাদের নির্দোষিতার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
মুজিব শতবর্ষের আশ্রয়ন-২ প্রকল্পে দুস্থদের জন্য ঘরসহ ২ শতাংশ খাস জমি বরাদ্দে সরকারের মহতী উদ্দোগ বাসÍবায়নের অন্তরালে বিপুল অর্থের বিনিময়ে ৪২ প্রভাবশালী বিত্তবানের নামে ২৫ কোটি টাকা মূল্যের ৭২ একর খাস জমি বন্দোবস্ত দেয় অভিযুক্তরা।
শনিবার সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আলোচিত ৭২ একর খাস জমি বন্দোবস্ত কান্ডের তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। ৪২ প্রভাবশালী খাসজমি বন্দোবস্ত দলিল গ্রহীতাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলে মামলাটিতে গতি আসবে।
এরপর অভিযোগ পত্র নিয়ে আদালতে শুনানী, অভিযোগ গঠন, স্বাক্ষ্য গ্রহন, জেরা, যুক্তি-তর্ক এবং রায় প্রচার। তবে এ ঘটনা থেকে পার পেয়ে যেতে অভিযুক্ত ইউএনও, সাবরেজিষ্ট্রার, ভূমি অফিস সার্ভেয়ারসহ সংশ্লিষ্টরা জোরে সোরে লবিং, তদ্বির শুরু করেছেন। উল্লেখ্য, এর আগে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, পটুয়াখালী’র সহকারী পরিচালক মো. জাভেদ হাবিব বাদী হয়ে সার্ভেয়ার মো. হুমায়ুন কবিরকে প্রধান আসামী করে অজ্ঞাতানামা আসামীদের নামে ১৬ আগষ্ট বিকেলে দুদক, সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন