প্রায় এক দশক পর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তাঁকে স্বাগত জানাতে ওয়াশিংটনে বড় ধরনের আয়োজন করছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।
অ্যান্ড্রুজ বিমানঘাঁটিতে শিকে স্বাগত জানাতে নিজে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের। হোয়াইট হাউসে প্রায় ৫০০ সামরিক সদস্যের অংশগ্রহণে সামরিক ফ্লাইওভার, নৈশভোজ ও বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক আয়োজন রাখা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, কোনো মিত্র দেশের নেতার ক্ষেত্রেও এমন আয়োজন সাম্প্রতিক সময়ে বিরল।
দুই নেতার বৈঠকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হবে বাণিজ্য। অতিরিক্ত মার্কিন শুল্ক ও চীনের বিরল খনিজ রপ্তানি নীতিকে ঘিরে আগের সমঝোতার মেয়াদ নভেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। বাণিজ্য ঘাটতি ও কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে নতুন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
এর পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি, এর নিয়ন্ত্রণ এবং যুক্তরাষ্ট্র-চীনের প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতাও আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে। এআই খাতে চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান শক্তিশালী রাখাকে ট্রাম্প প্রশাসন গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে।
বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যুও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ দাবি করে চীন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য অস্ত্র বিক্রি নিয়ে বেইজিংয়ের উদ্বেগ রয়েছে। ফলে তাইওয়ান ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থানও আলোচনায় আসতে পারে।
বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও তাইওয়ানসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও দুই পরাশক্তির মধ্যে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ এবং কিছু ক্ষেত্রে সহযোগিতার সুযোগ তৈরির বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব পেতে পারে।
মন্তব্য করুন