সংসারের কাজ সামলানোর পাশাপাশি বর্গা জমিতে আগাম ফুলকপি চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাপমারা গ্রামের গৃহবধূ রোজিনা বেগম।

চলতি মৌসুমে ২০ শতাংশ জমি বর্গা নিয়ে স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে আগাম ফুলকপির আবাদ শুরু করেছেন তিনি। বর্তমানে খেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটছে তার। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও নিয়মিত পরিচর্যায় ফুলকপির চারাগুলো দ্রুত বেড়ে উঠছে।

কৃষি পরামর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সুষম সার ও বালাইনাশক প্রয়োগ করছেন রোজিনা। উন্নত জাতের বীজ নির্বাচন, আধুনিক কৃষিপদ্ধতি ও লাভজনক ফসল চাষের কৌশলও শিখেছেন তিনি।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের সহযোগিতায় স্ট্রমী ফাউন্ডেশনের ‘সিডস’ প্রকল্পের ‘আশার আলো এসআরজি’ দলের সক্রিয় সদস্য রোজিনা। প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণের পাশাপাশি উৎপাদিত ফসল ন্যায্যমূল্যে বিক্রির কৌশলও শিখেছেন তিনি।

গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের মাঠকর্মী পারভীন সুলতানা জানান, প্রশিক্ষণের ফলে গ্রামীণ নারীরা এখন মৌসুম অনুযায়ী লাভজনক ফসল নির্বাচন করতে পারছেন। পাশাপাশি মধ্যস্বত্বভোগী এড়িয়ে সরাসরি পাইকারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের চেষ্টা করছেন তারা।

গ্রামীণ নারীদের কৃষিকাজে যুক্ত করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।