ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচ ঘিরে নারী-পুরুষ উভয় ক্রিকেটেই থাকে বাড়তি আলোচনা। তবে নারী এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হেরে এবার নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড গড়েছে পাকিস্তান।

গতকাল ভারতের বিপক্ষে মাত্র ৫৫ রানে অলআউট হয় ফাতিমা সানার দল। জবাবে ৬৮ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে জয় তুলে নেয় ভারত।

এর আগে টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তান নারী দলের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ ছিল ৫৬ রান। ২০২৪ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ম্যাচে অলআউট হয়েছিল তারা। এর আগে ২০০৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৬০, ২০১২ এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে ৬৩, ২০১১ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৬৫ এবং ২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৭২ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।

তবে ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে আরও কম রানে অলআউট হওয়ার নজির রয়েছে। ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ার নারী দল মাত্র ২৭ রানে অলআউট হয়েছিল। এ ছাড়া থাইল্যান্ড ৩৭, বাংলাদেশ ৫১ ও ৫৪ রানে ভারতের বিপক্ষে অলআউট হয়।

আন্তর্জাতিক নারী টি-টোয়েন্টিতে সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড অবশ্য আরও ভয়াবহ। বাংলাদেশের বিপক্ষে মালদ্বীপ মাত্র ৬ রানে অলআউট হয়েছিল এবং ম্যাচটি হেরেছিল ২৪৯ রানের বিশাল ব্যবধানে। একই রানে অলআউট হওয়ার নজির রয়েছে রুয়ান্ডার বিপক্ষে মালিরও। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ২০ রানের নিচে অলআউট হওয়ার ঘটনা রয়েছে ২৫টি।

ভারতের বিপক্ষে এশিয়া কাপের ম্যাচে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন শাওয়াল জুলফিকার। তার পর মুনিবা আলি করেন ১৩ রান। দলের আর কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি। পাকিস্তানের ৫৫ রানের ইনিংসে এটিই ছিল দ্বিতীয় সর্বনিম্ন ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের নজির। এর আগে ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৬০ রানে অলআউট হওয়া ম্যাচে বিসমাহ মারুফ সর্বোচ্চ ১৩ রান করেছিলেন।

১৮.১ ওভারে পাকিস্তানকে গুটিয়ে দেয় ভারত। ভারতের হয়ে শ্রী চরনি ও প্রেমা রাওয়াত নেন ৩টি করে উইকেট। ছোট লক্ষ্য তাড়ায় ভারত দলীয় ১৩ রানে শেফালি ভার্মা ও ১৮ রানে প্রতিকা রাওয়ালকে হারালেও পরে আর বিপদে পড়েনি। স্মৃতি মান্ধানার উইকেট হারানোর পরও সহজেই জয় নিশ্চিত করে তারা।

৬৮ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের এই জয় বলের হিসাবে ভারতের চতুর্থ বড় জয়। আর পাকিস্তানের জন্য এটি ব্যবধানের দিক থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হার।