যাত্রী সাউনী করার বরাত দিয়ে সড়কের গাছ কাটার অভিযোগে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও ডাসার উপজেলা বিএনপি নেতা সালাম খানকে অবরুদ্ধ করে রাখেন স্থানীয় জনতা। আজ বুধবার সকালে কালকিনি-সাহেবরামপুর সড়কের সিডি খাঁন ইউনিয়নের মোক্তারহাট নামক স্থানে ওই নেতাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। তবে সরকারি অনুমোদন নিয়ে ওই নেতা গাছ কাটছেন বলে দাবি করলেও তিনি কোন কাগজ দেখাতে পারেন নাই। এক পর্যায় বিক্ষুব্ধ জনতাদের কাছে সরকারি অনুমোদনের কাগজ দেখানোর কথা বললে জনতা তাকে ছেরে দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালকিনি-সাহেবরামপুর সড়কের সিডি খাঁন ইউনিয়নের মোক্তারহাট নামক স্থানে সড়কের পাসে থাকা গাছ কাটা শুরু করেন স্থানীয় গাছ ব্যবসায়ী মোকলেছ মোল্লা। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে বাধা প্রদান করলেন তিনি জানান উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও ডাসার উপজেলা বিএনপি নেতা সালাম খানের কাছ থেকে ওই গাছ ৩৫ হাজার টাকায় ক্রয় করেন। খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে সালাম খান উপস্থিত হলে সরকারি গাছ বিক্রি করায় স্থানীয় জনতা তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। তবে সরকারি অনুমোদন নিয়ে ওই নেতা গাছ কাটা হচ্ছে বলে দাবি করলেও তিনি কোন কাগজ দেখাতে পারেন নাই। এক পর্যায় বিক্ষুব্ধ জনতাদের কাছে সরকারি অনুমোদনের কাগজ দেখানোর কথা বললে জনতা তাকে ছেরে দেন।

স্থানীয় আকবার শিকদার, ফরিদ শিকদার ও জুয়েল চৌকিদারসহ বেশ কয়েকজন বিক্ষুব্ধ জনতা জানান, বিএনপি নেতা সালাম খান সরকারি গাছ বিক্রি করায় তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। পরে সরকারি অনুমোদনের কাগজ দেখাবেন বলে আমরা তাকে ছেড়ে দিয়েছি।

গাছ ক্রেতা মোকলেছ মোল্লা জানান, বিএনপি নেতা সালাম খানের কাছ তিনি ৩৫ হাজার টাকায় ওই গাছ ক্রয় করছেন। তাই তিনি ওই গাছ কাটতেছে।

অভিযুক্ত সালাম খান বলেন, যাত্রী ছাউনি হবে তাই তিনি ওই গাছ বিক্রি করেছেন। তবে তার কাছে সরকারি অনুমোদন আছে বলে দাবি করেছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফ উল আরেফীন জানান, সরকারি গাছ কাটার বিষয়ে খবর পেয়ে তিনি গাছ কাটা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন। তবে আগামীকালের মধ্যে গাছ কাটার অনুমোদনের কগজ না দেখাতে পারলে তার বিরুদ্ধে মামলা হবে।