তিস্তার ভয়াবহ ভাঙ্গনে নদী গর্ভে বিলিন হওয়ায় বিলিন হওয়া এ চরের একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভোরেরপাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আশপাশের কয়েকটি বসদবাড়ী। ভাঙ্গনে নদী গর্ভে বিলিন হওয়ায় বিদ্যালয় শিশু শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা চলছে অন্যের বাড়ীর উঠানে খোলা আকাশেন নিচে।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাশিয়া ইউনিয়নের এই সরকারি প্রাথমিকটি ২০ বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠিত হলেও এবারের রর্ষায় ভঙ্গনের ঝুকেতেপরে। প্রথম দফায় জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে রক্ষ পেলেও গত মঙ্গলবারের ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়। ভাঙ্গনের ফলে ভোরেরপাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অধিকাংশ নদী গর্ভে চলে যায়।

নদী ভঙ্গন কবলিত চরের মানুষ চরবাসি বলছেন মুহুর্তের মধ্যে ভয়াবহ ভাঙ্গনে নদীতে চলে গেলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। পরিক্ষার সময় এমন ভাঙ্গনে ক্ষতিরমুখে পরেছেন শিক্ষার্থীরা। ছেলে-মেয়ের লেখাপাড়া নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা।

ভোরেরপাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুর রহমান মন্ডল বলেন ২০ বছর ধরে চলছিল বিদ্যালয়টি মুহুর্তের ভয়াবহ ভাঙ্গনে নদীতে চলে গেলো বিদ্যালয়টি। এতে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপাড়া। এখন বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা চলছে খোলা আকাশেন নিচে।

আকস্মিক নদী ভাঙ্গনে বিলিন হওয়া বিদ্যালয়টি দ্রুত নতুন স্থানে প্রতিষ্ঠিত করে চরের ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখা নিশ্চিতসহ নদী ভাঙ্গন রোধ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্থায়ী ব্যবস্থা নিবে এমনটি দাবি চরবাসীর।