বরিশালের গৌরনদীতে সাইড দেওয়ার সময় যাত্রীবাহি ২টি বাসের মধ্যে সংঘর্ষে ঘটনা ঘটে, এতে বরিশালগামী ইলিশ পরিবহনের যাত্রীবাহি একটি এসি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের পুকুরে পড়ে  ১২যাত্রী আহত ও ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের  গাছকে ধাক্কা দিলে ৪ যাত্রী আহত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর পৌণে ২টার দিকে উপজেলার আশোকাঠি এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত ইলিম পরিবহনের ১ যাত্রীকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও ৫ যাত্রীকে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার সাথে সাথে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে আধাঘন্টা পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত যাত্রীরা জানান, জানায়, ঢাকা থেকে   ইলিশ পরিবহনের একটি এসি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৯৬৩৯) যাত্রী নিয়ে মঙ্গলবার ১১টার দিকে বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। অপর দিকে বরিশাল নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৪৮০৮)   মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে।  ওই  যাত্রীবাহি বাস ২টি দুপুর পৌণে ২টার দিকে গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠি এলাকা অতিক্রমকালে একে অপরকে সাইড  দেওয়ার সময় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বরিশালগামী ইলিশ পরিবহনের এসি বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের ডোবায় পরে  ১২ যাত্রী আহত ও ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের গাছকে ধাক্কা দিলে ৪ যাত্রী আহত হয়। গুরুতর আহত শাফিয়া(৪), শান্তা (২০), ছালাম মোল্লা (৪৫), আকাশ মোল্লা (৪২), ইরা (২৭), আয়শা ফেরদৌসী (৩৫), সাফিয়া(৬), শাহারা (৩৫), রিয়াদ(২১), মোস্তাফিজুর রহমান (৪৫),  নুসরাত (১), ফারহানা আক্তার (৩৩), রুহুল আমিন (৪৫), রিয়াদ ফারহান (৭), শাজরিন (৭), আবুল বশার (৪৫)কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

গৌরনদী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. বিপুল হোসেন বলেন, ইলিশ পরিবহনের যাত্রীবাহি একটি এসি বাস শ্যামলী পরিবহনের বাসকে সাইড দেওয়ার সময় যাত্রীবাহি ২টি বাসের মধ্যে সংঘর্ষে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের ডোবায় পরেগেলে ১২যাত্রী আহত হন, তাদের দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পৌছে দেই আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছে। গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি গোলাম রসুল মোল্লা বলেন,মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে হাইওয়ে পুলিশ পাহারায় রয়েছে।