গত ১৭ফেব্রুয়ারী রাজশাহী মহানগর অধিনস্থ সাংগঠনিক ৪১টি ওয়ার্ডের ৮ সদস্য বিশিষ্ট করে আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করেছে যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটি। যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া সাক্ষরিত আংশিক ওয়ার্ড কমিটি যা ১৫ দিনের মধ্যে ২১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ করার নির্দেশ প্রদান করা হয়। দীর্ঘ ২২ বছর পর রাজশাহী মহানগর যুবদল অধিনস্থ ওয়ার্ডের আহ্বায়ক কমিটির গঠিত হওয়ায় যুবদলের নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ। ওয়ার্ড ও থানা বিএনপির নেতৃবৃন্দ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কমিটির নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা জানান এবং যুবদল কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।
তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের সাথে যোগাযোগ করা হলে বলেন আমি নিজেই একসময় ওয়ার্ড যুবদলের কর্মী ছিলাম দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়ার কারণে যুবদলে পদ পায়নি এখন আমি ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তারপরও আমি খুশি কারণ এতদিন পর যুবদলের ওয়ার্ড কমিটি আলোর মুখ দেখেছে।
৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মোঃ সালমগীর হোসেন বলেন, ২০০৯ সালে কর্মীসভায় আমি ৩নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি প্রার্থী ছিলাম কর্মী সভা হওয়ার পরেও কমিটি ঘোষণা হয়নি এখন আমি ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি। আমি নবগঠিত সকলকে শুভেচ্ছা জানাই।
২৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বলেন আমি একসময় যুবদল করতাম কমিটি পায়নি। আমি অত্যান্ত আনন্দিত যে বর্তমান যুবদল কমিটি রাজশাহী মহানগরীর ওয়ার্ড যুবদলের কমিটি গঠন করেছে।
এছাড়াও মতিহার থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আল মামুন বাবু বলেন আমার পক্ষ থেকে সবাইকে অভিনন্দন আমি দীর্ঘদিন যুবদল করেছি
আমি বর্তমান যু্বদল কমিটিকে ধন্যবাদ জানাই তারা ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি ঘোষণা করে দীর্ঘদিন কমিটি বঞ্চিত ওয়ার্ডে কমিটি উপহার দিয়েছেন ।
এ ছাড়াও রাজশাহী মহানগর রাজপাড়া থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন, শাহমুখদুম থানা বিএনপির আহ্বায়ক সুমন সরদার নবগঠিত যুবদলের ওয়ার্ড কমিটিকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুক পোষ্ট করেন।
এ বিষয় যোগাযোগ করলে রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ শরিফুল ইসলাম জনি বলেন, রাজশাহী মহানগর যুবদল অধিনস্থ সাংগঠনিক ৪১টি ওয়ার্ডের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে। এই কমিটি গঠনের পূর্বে প্রতিটি ওয়ার্ডে রাজশাহী মহানগর যুবদল কর্মীসভা করেছে এবং আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব পদে নাম প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছিল। কমিটি গঠনে সাংগঠনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে সুপারিশ করা হয়েছিল এবং কেন্দ্রীয় কমিটি গত ১৭ তারিখ কমিটিগুলো অনুমোদন দিয়েছেন যার মাধ্যমে দীর্ঘ ২২বছরের অপেক্ষার অবসান হয়েছে এবং রাজশাহী মহানগর যু্বদলে সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
কমিটি গঠনে অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে শরিফুল ইসলাম জনি বলেন, যুবদল একটি জনপ্রিয় ও বড় সংগঠন। যুবদলে প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে কমপক্ষে ৫০/৬০ জন সক্রিয় কর্মী আছে কমিটি আংশিক অর্থ্যাৎ ৮সদস্য বিশিষ্ট ঘোষণা হয়েছে এবং ২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যার মাধ্যমে অনেকেই কমিটিকে যুক্ত হবেন।
শরিফুল ইসলাম জনি আরও বলেন ওয়ার্ড পূর্ণাঙ্গ কমিটির আকার হবে ৫১ সদস্যের তখন সবাইকে যুক্ত করেই কমিটি হবে ইনশাআল্লাহ।
এছাড়া রাজশাহীর মহানগর যুবদল অধিনস্থ সাংগঠনিক ৮টি থানা কমিটি গঠন করা হবে সেখানে যুবদলের আরও প্রায় ৪০০ নেতা কর্মীরা পদায়িত হবেন যাঁর ফলে ত্যাগী, পরিশ্রমীরা আর কেউ পদ বঞ্চিত থাকবেন না।
মন্তব্য করুন