মির্জাগঞ্জে চাঁদার দাবীতে বিএনপি নেতা কর্তৃক ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ মিথ্যা- ভিত্তিহীন,বানোয়াট ও কাল্পনিক অভিযোগ এবং মাদকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। গতকাল সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উপজেলা সদর সুবিদখালী বাজার সংলগ্ন বরিশাল -বাকেরগঞ্জ-সুবিদখালী – বরগুনা মহাসড়কে “মির্জাগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনগন” এর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সদস্য অধ্যাপক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারন সম্পাদক খোকন সিকদার,ছাত্রদল নেতা মোঃ রবিউল ইসলাম রুবেল ও ব্যবসায়ী মোঃ আঃ গফুর প্রমূখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন- উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সুজন সিকদার উপজেলাকে মাদকমুক্ত করে মাদকের ছোবল থেকে যুব সমাজকে বাঁচাতে প্রশাসনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে সর্বাত্মক সহোযোগিতা করে আসছেন। ব্যবসায়ীর নিকট চাঁদা দাবী ও মারধরের ঘটনা উল্লেখ করে থানায় যে অভিযোগ দায়ের করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। অভিযোগকারী নির্মল দাসের ছেলে ঋত্বিক দাসকে মাদক সেবনকারীদের সাথে চলাফেরা করতে নিষেধ করায় তিনি ছেলেকে বাঁচাতে চাঁদা দাবী এবং মারধরের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন। মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে অভিযোগ প্রত্যাহার করে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে মাদক বিরোধী সামাজিক আন্দোলনে সহোযোগিতা করার আহবান জানান।
প্রায় ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে স্থানীয় ব্যবসায়ী, বিএনপির সহোযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও এলাকার বিভিন্ন পেশার দুই শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী বাজারের ব্যবসায়ী নির্মল দাসের নিকট ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী ও চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় ব্যবসায়ীকে মারধর করে আহত করার অভিযোগে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সুজন সিকদার ও তার ৭-৮ জন সহোযোগীর বিরুদ্ধে মির্জাগঞ্জ থানায় অভিযোগ ও বিচারের দাবীতে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নির্মল দাস।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুজন সিকদারের বিরুদ্ধে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী ও চাঁদা না দেয়ায় সুজন সিকদারের নেতৃত্বে ৭-৮ জন লোক তাকে মারধর করে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন ব্যবসায়ী নির্মল দাস। এর আগে ঘটনার দিন রবিবার(২২ ফেব্রুয়ারী) রাতেই সুজন সিকদারকে প্রধান আসামী করে তিন জনের নামোল্লেখসহ ৭/৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে মির্জাগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী নির্মল দাস।
মন্তব্য করুন